January 12, 2026, 2:01 am
শিরোনামঃ
ব্রেকিংঃ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই দফা অগ্নিকাণ্ড, পুড়লো স্বাস্থ্যকেন্দ্র

উপজেলা প্রতিনিধি, টেকনাফ ::

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক দুটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে রোহিঙ্গাদের পাঁচটি বসতঘর এবং চিকিৎসাসেবা প্রদানের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র পুড়ে গেছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দিনগত রাতে উখিয়ার কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের বি-ব্লকে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি বসতঘর পুড়ে যায়। অপরদিকে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ভোরে মধুরছড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-ব্লকে অবস্থিত ‘ওবাট হেলপারস বাংলাদেশ’ পরিচালিত একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে এতে কেন্দ্রটি সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

 

 

অগ্নিকাণ্ডের এসব ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অফিসার ডলার ত্রিপুরা।

 

 

তিনি জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের বি-ব্লকে রোহিঙ্গাদের ঝুপড়ি বসতিতে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ও স্থানীয় রোহিঙ্গাদের সহযোগিতায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এ ঘটনায় পাঁচটি বসতঘর পুড়ে গেছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

 

অপরদিকে শুক্রবার ভোরে মধুরছড়া ডি-ব্লকে অবস্থিত ‘ওবাট হেলপারস বাংলাদেশ’ পরিচালিত একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি সম্পূর্ণরূপে আগুনে পুড়ে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। সৌভাগ্যবশত আশপাশের কোনো রোহিঙ্গা বসতঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়েনি এবং এ ঘটনায়ও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেখানে থাকা মূল্যবান চিকিৎসা সামগ্রী পুড়ে গেছে।

 

ওবাটের হেলথ কো-অর্ডিনেটর ডা. মাহামুদুল হাসান সিদ্দিকী রাশেদ জানান, আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে পুরো হাসপাতালটি পুড়ে গেছে। কীভাবে আগুন লেগেছে তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। এ হেলথ পোস্ট থেকে আশপাশের রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উপকারভোগীরা বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পেয়ে থাকেন।

 

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমেদ জানান, গতকাল রাতে ও ভোরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক দুটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এতে রোহিঙ্গাদের পাঁচটি বসতঘর ও একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র পুড়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় রোহিঙ্গাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তা না হলে আগুন আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের পেইজ লাইক দিন

প্রযুক্তি সহায়তায় bdit.com.bd